যষ্টিমধু (ল্যাটিন নাম: Glycyrrhiza glabra) প্রাচীনকাল থেকে ভেষজ চিকিৎসায় ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি মূলত সর্দি-কাশি, হজমের সমস্যা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত হয়।
নিচে যষ্টিমধুর পুষ্টিমান, উপকারিতা ও ব্যবহার পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
যষ্টিমধুর পুষ্টিমান :
যষ্টিমধুতে রয়েছে প্রাকৃতিক ওষধিগুণ সম্পন্ন ভেষজ উপাদান, যেমন :
গ্লাইসিরিজিন : এটি যষ্টিমধুর প্রধান সক্রিয় উপাদান, যা প্রদাহ এবং ভাইরাস প্রতিরোধে কার্যকর।
ফ্ল্যাভোনয়েডস : শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরের কোষকে সুরক্ষা দেয়।
কার্বোহাইড্রেট এবং ফাইবার : হজম উন্নত করে।
ভিটামিন ও খনিজ : ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস, এবং ম্যাগনেসিয়াম।
ফাইটোকেমিক্যালস : রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
যষ্টিমধুর উপকারিতা :
শ্বাসযন্ত্রের স্বাস্থ্য রক্ষায় প্রত্যক্ষভাবে কাজ করে। সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা এবং হাঁপানির উপশমে সহায়ক। শ্বাসনালীর শ্লেষ্মা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে। গ্যাস্ট্রিক, অম্বল এবং বদহজম দূর করে। অন্ত্রের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টিভাইরাল বৈশিষ্ট্য যেমন- প্রদাহ, ভাইরাসজনিত সংক্রমণ এবং ব্যাকটেরিয়া দূর করতে অত্যন্ত কার্যকর।
যষ্টিমধু ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং সাধারণ অসুস্থতা থেকে রক্ষা করে।
ত্বকের ব্রণ, কালো দাগ এবং ত্বকের অ্যালার্জি দূর করে। ত্বককে উজ্জ্বল ও মসৃণ করতে সাহায্য করে।